brand
Sign in / up
Sign in / up
  • Shop
  • Blogs
  • Track Order
  1. Blogs
  2. Km Khrce Ghre Bsei Deerghsthazee Oo Nikhunnt Hezar Kalar Dhre Rakhar 3ti Gopn Sikret
img

23 Aug 2026

কম খরচে ঘরে বসেই দীর্ঘস্থায়ী ও নিখুঁত হেয়ার কালার ধরে রাখার ৩টি গোপন সিক্রেট

পার্লারে গিয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ করে কালার করানোর পরও অনেক সময় দেখা যায়, মাত্র কয়েক সপ্তাহেই রঙ ফিকে হয়ে যাচ্ছে। অথচ সঠিক কিছু কৌশল জানা থাকলে ঘরে বসেই অনেক কম খরচে পার্লারের চেয়েও বেশিদিন কালার ধরে রাখা সম্ভব। আজকের ব্লগে থাকছে এমনই ৩টি কার্যকরী সিক্রেট টিপস।

চলুন প্রথম সিক্রেটটি দিয়েই শুরু করি - যা সরাসরি প্রোডাক্ট বাছাইয়ের সাথে সম্পর্কিত।

সিক্রেট ১: সঠিক প্রোডাক্ট বেছে নিন, দাম দিয়ে বিচার করবেন না

অনেকেই মনে করেন যত দামি কালার, তত বেশিদিন টিকবে। কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটা নির্ভর করে প্রোডাক্টের ফর্মুলার ওপর, দামের ওপর নয়। উচ্চমূল্যের লিকুইড কালারেও যদি অ্যামোনিয়া বেশি থাকে, তাহলে তা কিউটিকল বেশি খুলে দেয় এবং রঙও দ্রুত ধুয়ে যায়। বিপরীতে, জিনসেং ও প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি হারবাল বাবল ডাই তুলনামূলক সাশ্রয়ী হয়েও কিউটিকলের কম ক্ষতি করে, ফলে রঙ বেশিদিন স্থায়ী থাকে। তাই দাম নয়, উপাদানের তালিকা দেখে প্রোডাক্ট বাছাই করুন।

সিক্রেট ২: প্রথম ৭২ ঘণ্টা সঠিকভাবে ম্যানেজ করুন

কালার করার প্রথম তিন দিন চুলের পিগমেন্ট স্থায়ীভাবে বসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে -

•        কড়া শ্যাম্পু ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন, শুধু পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।

•        গরম পানির বদলে স্বাভাবিক বা হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন।

•        হেয়ার ড্রায়ার বা স্ট্রেইটনারের অতিরিক্ত ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

এই সাধারণ নিয়মগুলো মেনে চললে বাড়তি কোনো টাকা খরচ ছাড়াই কালারের স্থায়িত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

সিক্রেট ৩: সাপ্তাহিক রুটিন মেইনটেইন করুন

•        সপ্তাহে ২-৩ দিনের বেশি শ্যাম্পু করবেন না - বারবার ধোয়া মানেই কালার দ্রুত ধুয়ে যাওয়া।

•        সালফেট-ফ্রি বা কালার-প্রোটেক্টেড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

•        রোদে বের হওয়ার সময় ছাতা বা স্কার্ফ ব্যবহার করুন, কারণ UV রশ্মি কালার দ্রুত ফিকে করে দেয়।

•        সপ্তাহে একদিন হালকা তেল ম্যাসাজ ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন, এতে চুলের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং কালার লক থাকে।

এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো একবার রুটিনে পরিণত হয়ে গেলে বারবার পার্লারে গিয়ে টাচ-আপ করানোর খরচ অনেকটাই কমে আসে।

এক প্রোডাক্টেই তিনটি সিক্রেট কাজে লাগানোর উপায়

যদি এমন একটি প্রোডাক্ট বেছে নেন যা শুরু থেকেই কম ক্ষতিকর, তাহলে বাকি দুটো সিক্রেট মেনে চলা আরও সহজ হয়ে যায়। Dexe Herbal Bubble Dye মাত্র ৫-১০ মিনিটে ব্যবহারযোগ্য এবং সম্পূর্ণ অ্যামোনিয়ামুক্ত হওয়ায় কিউটিকলের ক্ষতি কম হয়, ফলে ওপরের নিয়মগুলো মানলে কালার স্বাভাবিকের চেয়েও বেশিদিন স্থায়ী থাকে। ঘরে বসে ধাপে ধাপে সঠিকভাবে কালার করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি জানতে দেখুন আমাদের ব্লগ ঘরে বসেই পার্লারের মতো হেয়ার কালার করার সঠিক নিয়ম।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

প্রশ্ন: ঘরে বসে কালার করলে কি সত্যিই পার্লারের সমান স্থায়িত্ব পাওয়া যায়?

উত্তর: হ্যাঁ, সঠিক প্রোডাক্ট ও নিয়ম মেনে চললে ঘরে বসেই পার্লারের সমান বা তার চেয়েও বেশি স্থায়িত্ব পাওয়া সম্ভব।

প্রশ্ন: কালার দ্রুত ফিকে হয়ে গেলে আবার নতুন করে কালার করা কি নিরাপদ?

উত্তর: একই জায়গায় বারবার কালার করলে চুলের ক্ষতি বাড়ে। তাই নতুন গজানো চুলের অংশে (রুট টাচ-আপ) শুধু কালার করাই নিরাপদ, পুরো চুলে বারবার নয়।

প্রশ্ন: কালার দীর্ঘস্থায়ী করতে কোনো নির্দিষ্ট শ্যাম্পু ব্যবহার করা কি বাধ্যতামূলক?

উত্তর: বাধ্যতামূলক না হলেও সালফেট-ফ্রি বা কালার-প্রোটেক্টেড শ্যাম্পু ব্যবহার করলে কালারের উজ্জ্বলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশিদিন বজায় থাকে।

শেষ কথা

দীর্ঘস্থায়ী ও নিখুঁত হেয়ার কালারের জন্য পার্লারের পেছনে বাড়তি টাকা খরচ করাটাই একমাত্র সমাধান নয়। সঠিক প্রোডাক্ট বাছাই, প্রথম ৭২ ঘণ্টার সঠিক যত্ন এবং একটি সহজ সাপ্তাহিক রুটিন মেনে চললে আপনি ঘরে বসেই কম খরচে দীর্ঘদিন পর্যন্ত ঝলমলে কালার উপভোগ করতে পারবেন।